কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চ অভিনয়ের ভিত্তি গড়ে দিলেও সেলুলয়েডের পর্দা শেষ পর্যন্ত হয় আপন ঠিকানা। কারণ তিনি ভেবেছিলেন, ওই পর্দা বৃহত্তর জীবনকে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে।
অভিনয় নিয়ে এক সময় অনেক স্বপ্ন থাকলেও এখনকার প্রত্যাশা কেবল সুন্দর বাংলাদেশের, যে দেশে ‘মুক্ত হাওয়ায়’ বাঁচা যায়।আড্ডানামার অষ্টম পর্বে অতিথি হয়ে এসে অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন তার অভিনয় আর বাস্তব জীবনের কথা।গ্লিটজের এ সাক্ষাৎকার সিরিজ আয়োজনে সহযোগিতা করেছে আলোক হেলথকেয়ার এন্ড হাসপাতাল।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চ অভিনয়ের ভিত্তি গড়ে দিলেও সেলুলয়েডের পর্দা শেষ পর্যন্ত হয় আপন ঠিকানা। কারণ তিনি ভেবেছিলেন, ওই পর্দা বৃহত্তর জীবনকে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে।
অভিনয় নিয়ে এক সময় অনেক স্বপ্ন থাকলেও এখনকার প্রত্যাশা কেবল সুন্দর বাংলাদেশের, যে দেশে ‘মুক্ত হাওয়ায়’ বাঁচা যায়।আড্ডানামার অষ্টম পর্বে অতিথি হয়ে এসে অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন তার অভিনয় আর বাস্তব জীবনের কথা।গ্লিটজের এ সাক্ষাৎকার সিরিজ আয়োজনে সহযোগিতা করেছে আলোক হেলথকেয়ার এন্ড হাসপাতাল।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
প্রকাশিত: ২০:১৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:১৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬