‘আপনি খাবেন না জানি, তাও এনেছি’, প্রসেনজিতের হাতে মিষ্টি তুলে দিয়ে অমিত শাহ
প্রসেনজিতের বাড়িতে ১৫ মিনিট ছিলেন অমিত শাহ, কী কথা হল তাদের?
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জের বাড়িতে সেদিন সকাল থেকে সাজ সাজ রব, নিরাপত্তা নিয়ে কড়াকড়ি, লোকজনের আনাগোণাও অন্যদিনের তুলনায় বেশি। বেলা গড়াতেই কারণ জানা গেল, যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গাড়ি ঢুকল প্রসেনজিতের বাসভবন ‘উৎসবে’।
কলকাতার সংবাদমাধ্যম ‘আনন্দবাজার’, ‘সংবাদ প্রতিদিন’ জানিয়েছে, সোমবার বিকালের দিকে পনেরো মিনিটের মত অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন অমিত শাহ। সঙ্গে গিয়েছিলেন কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি নেত্রী ও এক সময়ের অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও।
কিছু দিন আগেই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন প্রসেনজিৎ। পদ্মসম্মান নিতে মে মাসে দিল্লি গিয়েছিলেন অভিনেতা। তখনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তার। সে সময় অমিত শাহকে কলকাতায় নিজের বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন অভিনেতা।
সেদিন রাজনীতিবিদ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন অমিত শাহ। তার পর নানা কর্মসূচি ছিল তার। সে সব কাজের ফাঁকে প্রসেনজিতের বাড়িতে যান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়ি ‘উৎসবে’ পৌঁছালে প্রসেনজিৎ তাদের হাসিমুখে স্বাগত জানান। প্রসেনজিৎকে এ সময় উত্তরীয় পরিয়ে দেন অমিত শাহ। তিনি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন মিষ্টিও।
প্রসেনজিতের খাওয়াদাওয়ার পরিমিতি প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলে, “আপনি খাবেন না জানি, তাও আমরা এনেছি।”
এর পর মিষ্টি তুলে দেওয়া হয় প্রসেনজিতের হাতে।
দিল্লি ফিরে অমিত শাহ ফেইসবুকে প্রসেনজিতের সঙ্গে সাক্ষাৎয়ের কারণ জানিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, “বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক শ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়জির সঙ্গে ওঁর বাসভবনে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। গত ১২ বছরে মোদী সরকারের ‘বিশেষ জনসংযোগ অভিযান’-এর ঐতিহাসিক সাফল্য সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম।”
অমিত শাহর ওই পোস্ট ফেইসবুকে শেয়ার করেছেন প্রসেনজিৎ। তার বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে লিখেছেন, “আমার বাড়িতে আপনাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত, অমিত শাহজি। আপনার আন্তরিক আগমন এবং আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া বইগুলির জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার সঙ্গে কাটানো সময়, আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
“আপনার এই সৌজন্যের নিদর্শন আমি সযত্নে লালন করব। আপনার আগমনে আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।”
