সীমান্তে কাঁটাতার কি মানুষকে আলাদা করে? উত্তর দেবে ‘র্যাডক্লিফ লাইন’
‘বাতিঘর’ জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ঘৃণা ও বিভাজনের আবহে ‘র্যাডক্লিফ লাইন’ মানবতার পক্ষে এক জোরালো আহ্বান।
দীর্ঘ বিরতির পর ঢাকার মঞ্চে ফিরছে নাট্যদল ‘বাতিঘর’ এর নাটক ‘র্যাডক্লিফ লাইন’।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নাটকটির ৩৮তম প্রদর্শনী হবে।
রাজনীতি, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং দেশভাগের নির্মম ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই নাটকটি রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তনীল।
নাটকের কাহিনীতে দেখা যাবে এক ভারতীয় এবং এক বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীর আকস্মিক সাক্ষাৎ হয়। দুই দেশের সীমানায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা দুই সৈনিকের কথোপকথনে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় দুই বাংলার অভিন্ন স্মৃতি, ভাষা, শেকড় এবং হারিয়ে ফেলা মানুষের গল্প।
মানচিত্রের কাঁটাতার পেরিয়ে নাটকটি প্রশ্ন তোলে সীমানা কি সত্যিই মানুষকে আলাদা করতে পারে? একই নদীর জল, একই মাটির গন্ধ, একই ভাষা আর সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা মানুষকে বিভক্ত করার রাজনৈতিক কূটচালের বিপরীতে মানুষের স্মৃতি, ভালোবাসা ও আত্মপরিচয়কে যে আটকে রাখা যায় না, তাই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই নাটকে।
‘বাতিঘর’ জানিয়েছে, বর্তমান বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ঘৃণা ও বিভাজনের আবহে ‘র্যাডক্লিফ লাইন’ মানবতার পক্ষে এক জোরালো আহ্বান।
নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন খালিদ হাসান রুমি, স্মরণ বিশ্বাস, সঞ্জয় হালদার এবং মো. আলম হোসেন, শিশির সরকার, রাজু আহমেদ।
নাটকটির আলোক পরিকল্পনা করেছেন তানজিল আহমেদ। যৌথভাবে মঞ্চ পরিকল্পনায় রয়েছেন খালিদ হাসান রুমি ও তাজিম আহমেদ শাওন।
এছাড়া আবহ সংগীতের দায়িত্বে আছেন জনি সেন রুবেল ও সাদ্দাম রহমান, এবং শব্দ প্রক্ষেপণ করেছেন সাদ্দাম রহমান।
