হঠাৎই চলে গেলেন অভিনেতা শামস সুমন
রাজধানীর একটি হাসপাতালে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মারা গেছেন তিনি।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন মারা গেছেন।
রাজধানীর একটি হাসপাতালে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
রাতে গ্লিটজকে তিনি বলেন, “আমরা এইমাত্র মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই লিভার সমস্যায় ভুগছিলেন। বাসাতেই ছিলেন, আজকে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে যান। ল্যাবএইডে নিয়ে আসা হয়েছে। নিয়ে আসার পরই মারা গেছেন।”
তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
চ্যানেল আইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুমন।
শামস সুমনের অভিনয়ের যাত্রা মঞ্চ থেকে। এরপর তিনি ছোট ও বড় পর্দায় সমানতালে কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে পর্দায় দেখা যায়নি।
তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক ছিলেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বুধবার সকাল ১০ টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে সুমনের জানাজা এবং সন্ধ্যায় রাজশাহীতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
'মন জানেনা মনের ঠিকানা' (২০১৬), 'কক্সবাজারে কাকাতুয়া (২০১৬)', 'চোখের দেখা (২০১৬)', 'প্রিয়া তুমি সুখী হও (২০১৪)', 'আয়না কাহিনী (২০১৩)', 'বিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬)', 'জয়যাত্রা (২০০৪)', 'নমুনা (২০০৮)', 'হ্যালো অমিত (২০১২)', 'জয়যাত্রা (২০০৪)' সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন।
২০০৮ সালে 'স্বপ্নপূরণ' চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান শামস সুমন।
