০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

৪,৩০০ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় প্রসাধন ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন

মামলার আরেক আসামি ছিলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী, তাকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

৪,৩০০ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় প্রসাধন ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন
চট্টগ্রামে পরীর পাহাড়ে অবস্থিত আদালত ভবন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2026, 03:29 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:30 PM

চট্টগ্রামে সাত বছর আগে ৪ হাজার ৩০০ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় এক প্রসাধন ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলাম বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডিত শফিকুল ইসলামের বয়স ৪৬ বছর। তিনি কুষ্টিয়া জেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের শালদাহ গ্রামের মৃত আব্দুল শেখের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আসামি শফিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

ইয়াবা উদ্ধারের সময় গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে পালিয়ে যান শফিকুল। রায় ঘোষণার পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। 

মামলার আরেক আসামি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জুলাই রাতে নগরীর কর্ণফুলী থানার মইজ্জ্যারটেক মোড়ে একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনের ফুটপাত থেকে শফিকুলকে আটক করে পুলিশ।

সে সময় তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগ থেকে ৪ হাজার ৩০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শফিকুল তখন কক্সবাজারের চকরিয়া থানার স্টেশনপাড়ায় প্রসাধনীর ব্যবসা করতেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেছিলেন, কক্সবাজার থেকে ইয়াবাগুলো বিক্রির জন্য তিনি কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর শফিকুল দাবি করেন, তিনি মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ইয়াবাগুলো কিনেছিলেন। মনিরুল সে সময় কক্সবাজারে ভাঙারি ব্যবসা করতেন, তার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারায় মামলা করে। ২০২১ সালের ১২ জুলাই দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার শফিকুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিল আদালত।