চট্টগ্রামে একীভূত ব্যাংকে তালা ঝুলিয়ে গ্রাহকদের দ্বিতীয় দিনের মত বিক্ষোভ
“সব গ্রাহক এক সঙ্গে টাকা তুলতে আসলে টাকা দেওয়া তো সম্ভব না। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
পুরো মুনাফাসহ আমানত ফিরে পেতে চট্টগ্রামে ব্যাংকে দ্বিতীয় দিনের মত তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারী ও গ্রাহকরা।
'সম্মিলিত ইসলামী ব্যংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের' ব্যানারে সোমবার সকালে বন্দরনগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের পর এক্সিম ব্যংকে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
পরে সেখান থেকে মিছিল করে করে ইউনিয়ন ব্যাংকে যান বিক্ষোভকারীরা। সেখানে গিয়েও ব্যাংক থেকে কর্মকর্তাদের বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এর পর তারা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকেও তালা লাগিয়ে দেন।
একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংক হল- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
ইউনিয়ন ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক কায়সারুল আলম বলেন, “সব গ্রাহক এক সঙ্গে টাকা তুলতে আসলে টাকা দেওয়া তো সম্ভব না। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমার স্বাভাবিক লেনদেন চলছে, আন্দোলনের কারণে তো স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।”
নওশিন জান্নাত নামে এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমরা রাস্তায় নামতে চাই না। আমরা টাকা ফেরৎ চাই। এভাবে করে ব্যাংক গ্রাহকের আস্থা হারাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
নাজমুল হাসান নামে এক আমানতকারী বলেন, তিনি ২০১৮ সালে টাকা রেখেছেন।
“সেখান থেকে মুনাফা তুলেছি। এখন ব্যাংক বলছে তাদের মুনাফা হয়নি। আমাদের আসল থেকে টাকা কেটে রাখা হবে। অন্য ব্যাংকে যারা টাকা রেখেছে তারা মুনাফা পাচ্ছে। কিন্তু আমরতো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এর আগে রোববার খাতুনগঞ্জেও বিক্ষোভ করেন গ্রাহক ও আমানতকারীরা।
