চবি ছাত্রদলের সেই নেতাকে বহিষ্কার
এই ছাত্রদল নেতা ও তার ‘সহপাঠীকে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার একটি বাসা থেকে শনিবার রাতে উদ্ধার করেন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা।
‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের’ অভিযোগে ছাত্রদলের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
ওই ছাত্রদল নেতার নাম আব্দুল্লাহ আল সাকিফ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও চবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
২০২৫ সালের চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে তিনি আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে লড়েছিলেন।
বহিষ্কারের আদেশে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গের’ কথা বলা হলেও নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার কথা বলা হয়নি।
তবে শনিবার রাতে এই ছাত্রদল নেতা ও তার এক ‘সহপাঠীর’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করেন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা।
সেখানে একদল মানুষ দাবি করে, তাদেরকে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন সাফিক।
ঘটনার পর ফেইসবুকে তিনি অভিযোগ তোলেন, ২ নম্বর গেটের স্থানীয়রা পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।
তিনি দাবি করেন, তাকে মারধর করে শার্ট-প্যান্ট খুলে ছবি তোলার পাশাপাশি ভিডিও করা হয়। তার ও তার সহপাঠীর জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, “ছাত্রদল সব সময় পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি পছন্দ করে। আমার ধারণা, শনিবার রাতের ঘটনার জন্যে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুল হোসেন বলেন, “ছেলেটার বাসা ছিল সেখানে। তারা নাকি সারাদিন একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেছিল। ব্যাগ নেওয়ার জন্য ওই বাসায় গেলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে।
“আমরা গতকাল রাত পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছি। এখন তদন্ত করে দেখা হবে, কেন সেখানে গিয়েছিল এবং কীভাবে পুরো ঘটনাটি ঘটেছে।"
