চট্টগ্রাম বন্দর শতভাগ ডিজিটালাইজেশন ফেব্রুয়ারির মধ্যে: চেয়ারম্যান
অনুষ্ঠানে ‘সাহসিকতার পুরস্কার’ পান আমির মো. আবু সুফিয়ান, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. ফারহান উল্লাহ আনসারি।
আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর শতভাগ ডিজিটালাইজেশন যুগে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান।
শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীতে বিশ্ব নৌ দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন।
তিনি বলেন, "আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর শতভাগ ডিজিটালাইজেশন যুগে প্রবেশ করবে। এজন্য সবাইকে প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে থাকতে হবে।"
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, "দেশের মানুষ অনেক আগে থেকেই নদীকেন্দ্রীক বাণিজ্যে জড়িত। সবাই মিলে দেশের মেরিটাইম সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।"
নগরীর নেভী কনভেনশনে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান হয়।
বিএমএমওএ বাংলাদেশি নাবিকদের প্রতিনিধিত্বকারী ট্রেড ইউনিয়ন।
বিএমএমওএ সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে মেরিটাইম সেক্টরে সাহসী কর্মকাণ্ডের জন্য 'সাহসিকতার পুরষ্কার' পান সংগঠনের সদস্য ক্যাপ্টেন আমির মো. আবু সুফিয়ান, ক্যাপ্টেন মো..জহিরুল ইসলাম এবং ক্যাপ্টেন মো. ফারহান উল্লাহ আনসারি।
বিভিন্ন অবদানের জন্য এক্সিলেন্স এওয়ার্ড পান সংগঠনের অপর দুই সদস্য ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন আব্দুল কাদির ও নৌ প্রকৌশলী মো. গোলাম সরওয়ার।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক কামরুল ইসলাম মজুমদার ও পোর্টসার্ভ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সাবেক পরিচালনা পর্ষদ সদস্য খায়রুল আলম সুজন।
