চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখলেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
চিড়িয়াখানাটিতে নতুন প্রাণী আনার কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করে সেটি সাফারি পার্কের আদলে গড়ে তোলার কথা বললেন সমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সোমবার বিকালে চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ চিড়িয়াখানায় আরো নতুন প্রাণী আনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, এখানে বিরল প্রজাতির সাদা বাঘসহ অনেক বাঘ আছে। সেগুলোকে সংরক্ষণ, ব্রিডিং করে কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে।
১৯৮৯ সালে নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় ছয় একর জমিতে নির্মিত হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এটি পরিচালনা করে। সরকারি অনুদান ছাড়া টিকেট বিক্রির নিজস্ব আয়ে প্রাণী সংগ্রহ, খাদ্য, কর্মচারীদের বেতনভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়ে থাকে। বলা হয়, এটাই দেশের একমাত্র ‘লাভজনক চিড়িয়াখানা’।
চিড়িয়াখানাটিতে বর্তমানে পাঁচটি সাদা বাঘসহ ১৭টি বাঘ, সিংহ, জলহস্তিসহ অন্তত ৬৮ প্রজাতির ৫২০টি প্রাণী রয়েছে। যার মধ্যে আছে ৪৫ প্রজাতির পাখি। নগরবাসীর অন্যতম বিনোদনের স্থান এটি।
প্রতিমন্ত্রীর চিড়িয়াখান পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
