বাবরের ‘আত্মসমর্পণ’ দেখে কোহলির উদাহরণ তুলে ধরলেন কার্তিক
ভারতের বিপক্ষে বাবরের আজমের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট দেখে দিনেশ কার্তিক বললেন, ভিরাট কোহলি থাকলে ওই সময়ে এমন শট খেলতেন না।
প্রথম দুই ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে দল তখন কাঁপছে। তখন হাল ধরবেন কী, উল্টো নিজের উইকেটও বিলিয়ে ফেরেন বাবর আজম। পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং চোখে লেগেছে দিনেশ কার্তিকের। ভারতের সাবেক কিপার-ব্যাটসম্যানের মতে, এই জায়গায় ভিরাট কোহলি থাকলে লড়াই চালিয়ে যেতেন শেষ পর্যন্ত।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নিজের অভিজ্ঞতার কিছুই কাজে লাগাতে পারেননি বাবর। রান তাড়ায় পাকিস্তান যখন চাপে, দায়িত্ব নিয়ে খেলার বদলে আরও দলকে বিপদে ফেলে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান তিনি।
কলম্বোতে গত রোববার ভারতের ১৭৫ রান তাড়ায় পাকিস্তান ৬ রানে দুই ওপেনারকে হারালে ক্রিজে যান বাবর। তিন বল পর বিদায় নেন সালমান আলি আগাও। ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে দল।
পঞ্চম ওভারে স্পিনার আক্রমণে আনে ভারত। আকসার প্যাটেলের ওই ওভারের প্রথম চার বলে দুই চার মেরে বাবরকে স্ট্রাইক দেন উসমান খান। ম্যাচটির আগে কলম্বোর মন্থর ও স্পিন সহায়ক উইকেট নিয়ে আলোচনা ছিল তুমুল। কিন্তু উইকেটের আচরণ বুঝে খেলতে পারেননি বাবর। স্পিনের বিপক্ষে প্রথম বলেই চেষ্টা করেন স্লগ করার। ফুল লেংথ ডেলিভারিটি তার ব্যাট-প্যাড ফাঁকি দিয়ে ছোবল দেয় স্টাম্পে। ৭ বলে ৫ রান করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
ক্রিকবাজে আলোচনায় কার্তিক তুলে ধরলেন, এই জায়গায় কোহলি থাকলে চিত্র হতো ভিন্ন।
“আমি কল্পনাও করতে পারি না ইনিংসের শুরুতে ভিরাট কোহলি ওই ধরনের শট খেলবে। এটা আসলে আত্মসমর্পণ। জয় পেতে ঠিক কী করতে হয় বা কীভাবে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া যায়, সেই বিশ্বাসের অভাব এখানে স্পষ্ট।”
“চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই গ্রেট বানায়। সব ম্যাচ তো আর সহজ হবে না যে, ক্রিজে গিয়েই কয়েকটি শট খেলে ফেলবেন। সে এর চেয়েও ভালো ক্রিকেটার।”
ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভারতের বিপক্ষে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন উসমান। আর কেউ ২৫ রানও করতে পারেননি।
ম্যাচটি ৬১ রানে জিতে সুপার এইটে জায়গা করে নেয় ভারত।
