আফগান হুমকি সামলে জয়ের আনন্দ কিউই অধিনায়কের
আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরুতে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে নিউ জিল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আফগানিস্তান যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্যই হুমকি। এই সংস্করণের গত বিশ্বকাপে দলটির বিপক্ষে হেরেছিল নিউ জিল্যান্ড। এবারও রান তাড়ায় চাপে পড়ে যায় কিউইরা। শেষ পর্যন্ত আফগান চ্যালেঞ্জ উতরাতে পারায় ভীষণ খুশি দলটির অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।
চেন্নাইয়ে রোববার আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে নিউ জিল্যান্ড। প্রতিপক্ষের ১৮২ রান ১৩ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় তারা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ও এই সংস্করণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য তাড়া করে জিতল কিউইরা।
ফলাফল দেখে সহজ জয় মনে হলেও, রান তাড়ায় শুরুটা নিউ জিল্যান্ডের জন্য ছিল ভীষণ কঠিন। ১৪ রানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে টালমাটাল হয়ে যায় তারা। সেখান থেকে টিম সাইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপসের ৭৪ রানের জুটিতে পথে ফেরে দলটি।
৬৫ রানের ইনিংসে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে ফেরেন সাইফার্ট। ফিলিপস করেন ৪২। মার্ক চ্যাপম্যান, ড্যারিল মিচেল, স্যান্টনার মিলে পাড়ি দেন বাকি পথ।
২০২৪ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৮৪ রানে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৭৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল তারা।
আরেকটি হারের শঙ্কা শুরুতে জাগলেও শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কিউইরা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্যান্টনারের কণ্ঠে ঝরে স্বস্তি।
“ভালো দিন। আফগানিস্তান আমাদের জন্য হুমকি ছিল—এটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ। উইকেট ভালো ছিল। যেমনটা আশা করেছিলাম, আফগানরা আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।”
“আমরা সাতটি ভিন্ন ভেন্যুতে খেলছি, তাই মাঠ ও কন্ডিশন দ্রুত বুঝে নেওয়া খুব জরুরি। পাওয়ার প্লে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। (শুরুতে) মুজিব আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। শেষ দিকে উইকেট বেশ ব্যাটিং সহায়ক হয়ে যায়।”
চেন্নাইয়েই আগামী মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে নিউ জিল্যান্ড।
