কাউন্টি অভিষেকে তিলাকের সেঞ্চুরি
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৯ ম্যাচে ষষ্ঠ সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন ভারতের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
ইংল্যান্ডের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার খেলতে নেমেই বাজিমাত করলেন তিলাক ভার্মা। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে চমৎকার এক সেঞ্চুরিতে টুর্নামেন্টে অভিষেক রাঙালেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান।
হ্যাম্পশায়ারের হয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতাটিতে পা রাখলেন তিলাক। এসেক্সের বিপক্ষে গত রোববার শুরু হওয়া ম্যাচে দলের প্রথম ইনিংসে চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ঠিক ১০০ রান করেন তিলাক। ২৪১ বল ও ৩১১ মিনিট স্থায়ী ইনিংসটি সাজান তিনি ৩ ছক্কা ও ১১ চারে।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৯তম ম্যাচে এটি তিলাকের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামেন তিলাক। তখন ৩৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে ছিল হ্যাম্পশায়ার। ওপেনার ফ্লেটচা মিডলটনের সঙ্গে ৬২ রানে জুটিতে দলকে পথে ফেরান তিনি।
পরে বেন ব্রাউনের সঙ্গে তার যুগলবন্দীতে আসে ৬৮ রান। লিয়াম ডসনের সঙ্গে শতরানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সোমবার দিন শেষ করেন তিলাক। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৯৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ডসন অপরাজিত ছিলেন ৭৯ রান নিয়ে।
তৃতীয় দিন মঙ্গলবার কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কের ঠিকানায় পা রাখেন তিলাক। সেঞ্চুরি স্পর্শ করার পর অবশ্য টিকতে পারেননি ২২ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। সাইমন হার্মারের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ড্রেসিং রুমে। ভাঙে ডসনের সঙ্গে তার ১৩৩ রানের জুটি।
ভারতের হয়ে এখনও টেস্ট অভিষেক হয়নি তিলাকের। তবে এরই মধ্যে সীমিত ওভারের দুই সংস্করণেই জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দেশের জার্সিতে ২৫ টি-টোয়েন্টিতে দুই সেঞ্চুরি ও তিন ফিফটিতে ৭৪৯ রান করেছেন তিলাক। সেঞ্চুরি দুটি আবার টানা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পরপর দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা পাঁচ ব্যাটসম্যানের একজন তিনি।
ওই দুই সেঞ্চুরির পর সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে খেলতে নেমেই হায়দরাবাদের হয়ে সেঞ্চুরি উপহার দেন তিলাক। গড়েন স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে টানা তিনটি শতক করার বিশ্ব রেকর্ড।
সব মিলিয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ১১৯ ম্যাচে তার রান তিন হাজার ৬৫৮। নামের পাশে সেঞ্চুরি চারটি, ফিফটি ২১টি।
চার ওয়ানডে খেলে এক ফিফটিতে ৬৮ রান করা তিলাক লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন ৩৬টি। যেখানে পাঁচ সেঞ্চুরি ও আট ফিফটিতে তার রান এক হাজার ৪৯৪।
আর ১৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এক হাজার ৩০৪ রান করেছেন তিনি ছয় সেঞ্চুরি ও চার ফিফটিতে।
