২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ক্রিজের বাইরে থাকলেও যে কারণে রান আউট হননি শানাকা

সুপার ওভারে আম্পায়ারের ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক দর্শকের মতো বিভ্রান্তিতে পড়ে যান ভারতীয় অধিনায়ক সুরিয়াকুমার ইয়াদাভও।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Sep 2025, 12:18 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:22 PM

কিপার যখন বল লাগালেন স্টাম্পে, ব্যাটসম্যান তখনও ক্রিজের বাইরে। তার পরও তিনি রান আউট হলেন না। ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দেখা যায় এমন ঘটনা। উত্তেজনাময় ম্যাচটি ‘টাই’ হওয়ার পর সুপার ওভারে জন্ম নেয় কৌতূহল জাগানিয়া ওই ঘটনা, যেখানে রক্ষা পান দাসুন শানাকা।

দুবাইয়ে শুক্রবার এশিয়া কাপের ম্যাচটিতে সুপার ওভারের চতুর্থ ডেলিভারি ছিল সেটি। আর্শদিপ সিংয়ের ওয়াইড ইয়র্কার ঠিকমতো খেলতে পারেননি শানাকা। পরে কিপারের কাছে বল রেখে দ্রুত একটি রান নেওয়ার চেষ্টা করেও পারেননি। পেছন থেকে বল ধরে থ্রো করে স্টাম্পে লাগান কিপার সাঞ্জু স্যামসন। আম্পায়ার ততক্ষণে আঙুল তুলে আউটের সিদ্ধান্ত দিয়েই রেখেছেন।

তবে মজার ব্যাপার হলো, রান আউট নয়, আম্পায়ার আউট দেন ‘কট বিহাইন্ড।’ বিভ্রান্তির জন্ম মূলত এখান থেকেই।

বোলার আর্শদিপ আবেদন করেন কট বিহাইন্ডের এবং সেটিতেই সাড়া দেন আম্পায়ার। শানাকা রিভিউ নেন দ্রুতই। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল তার ব্যাটে স্পর্শ করেনি। ক্যাচ আউট তাই হননি তিনি। তাতেই অভিজ্ঞ লঙ্কান অলরাউন্ডার বেঁচে যান রান আউট থেকেও। 

ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী, “ডিসমিসালের কারণটি যখন ঘটে যায়, তখন তাৎক্ষণিক ‘ডেড’ হয়ে যায়।” শানাকার ক্ষেত্রে সেই ঘটনাটি ছিল কট বিহাইন্ডের আবেদন। যেটির মানে, আর্শদিপ আবেদন করায় বল ‘ডেড’ হয়ে গেছে। স্যামসনের থ্রোয়ের সময়ও বল ‘ডেড’ ছিল। তাই কট বিহাইন্ড থেকে রক্ষা পেয়েই ক্রিজে টিকে যান শানাকা।

ভারতীয় অধিনায়ক সুরিয়াকুমার ইয়াদাভকে অবশ্য একটু বিভ্রান্ত মনে হচ্ছিল এই সিদ্ধান্তে। আম্পায়ারদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাকে।

পরে সংবাদ সম্মেলনে এটি ব্যাখ্যা করেন লঙ্কান কোচ সানাৎ জায়াসুরিয়া।

“নিয়ম অনুযায়ী, ক্যাচের আবেদন করার পর দাসুন তৃতীয় আম্পায়ারের সহায়তা চাইতে পারে। সবসময় প্রথম সিদ্ধান্তটিকেই বিবেচনায় নেওয়া হয়, দ্বিতীয়টি নয়। সে রিভিউ নিয়েছে এবং সেটিতে আউট হয়নি। এটিই হয়েছে। তবে আমার মনে হয়, এই জায়গায় নিয়মের ফাঁক আছে এবং তাদের (কর্তাদের) উচিত এসব ঠিকঠাক করা।”

শানাকা অবশ্য পরের বলেই আউট হয়ে যান। সুপার ওভারে মাত্র ২ রান তুলে ম্যাচ হেরে যায় শ্রীলঙ্কা।