বোলিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হতাশাময় দিন
জেপি কিংয়ের সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল।
দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচের প্রথম দিনটি স্বস্তিদায়ক হয়নি বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের। সারা দিনে বলে হাতে প্রতিপক্ষের জন্য তেমন চ্যালেঞ্জ দিতে পারেননি কেউ। চমৎকার এক সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন জেপি কিং।
পচেফস্ট্রুমে রোববার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল ৪ উইকেটে ৩০৭ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে।
আগের ম্যাচে না খেলা কিং এবার ইনিংস শুরু করতে নেমে করেছেন ১৪৯ রান। অধিনায়ক মিচেল ফন বুরেন অপরাজিত আছেন ৭১ রানে। প্রথম চারদিনের ম্যাচে তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের দুই বাঁহাতি স্পিনার আবু হাশিম ও আশরাফুল হাসান ও লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
সিরিজের প্রথম চারদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চারজন ক্রিকেটার থাকলেও এই ম্যাচে সেই সংখ্যাটা শূন্য।
প্রথম সাফল্য পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ৩০তম ওভার পর্যন্ত। ততক্ষণে ততক্ষণে দক্ষিণ আফ্রিকার রান স্পর্শ করে তিন অঙ্ক। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মদিরি লিথেকো এবার ৪৬ রানে আশরাফুলের বলে গালিতে ধরা পড়েন আমিনুলের হাতে।
তার বিদায়ের পর দ্বিতীয় উইকেটে ভ্যালেন্টাইন কিটিমেকে সঙ্গে নিয়ে ৬০ রান যোগ করেন কিং। ২২ রান করে কিটিমের রান আউটে ভাঙে এই জুটি।
তার বিদায়ের পর অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে শতরানের জুটি গড়েন কিং। তিনি নিজেও শতরান পেরিয়ে এগিয়ে যান দেড়শর কাছে।
এই জুটি ১০৪ রানে থামে কিংয়ের বিদায়ে। ২২৫ বলের ইনিংসটি ২০ চার ও দুই ছক্কা মেরে ফিরতি ক্যাচ দেন তিনি আবু হাশিমকে। আগের ম্যাচের আরেক সেঞ্চুরিয়ান রিচার্ড সেলেতসোয়ানে এ দিন দীর্ঘ করতে পারেননি নিজের ইনিংস। ২৩ বলে ৯ রানে ফেরেন তিনি।
তাদের দুজনের বিদায়ের পর পঞ্চম উইকেটে ২৫ রানের জুটি গড়ে প্রথম দিন শেষ করেছেন ফন বুরেন ও আন্দিলে সিমেলানে।
সিরিজের প্রথম চারদিনের ম্যাচের শেষ দিনে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আমিনুল ও নাঈম হাসানদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ম্যাচ ড্র করেছিল বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং: ৯১ ওভারে ৩০২/৪ (লিথেকো ৪৬, কিং ১৪৯, কিটিমে ২২, ফন বুরেন ৭১*, সেলেতসোয়ানে ৯, সিমেলানে ১০*; মেহেদি ১৪-২-৩৯-০, রিজওয়ান ৯-১-৪৬-০, হাশিম ২৬-৪-৮৩-১, মইন ৬-০-২৭-০, আশরাফুল ১৮-৩-৫৪-১, ইফতেখার ২-০-১২-০, আজিজুল ৫-০-১৬-০, আমিনুল ১১-১-৩০-১)
