এয়ারলাইন্সগুলোর সকল চার্জ পুনর্নির্ধারণ শিগগিরই, আশ্বাস উপদেষ্টার
নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন অংশীজনরা।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের আকাশপথে চলাচল করা এয়ারলাইন্সগুলো সারচার্জসহ বেশকিছু চার্জ কমানোর যে দাবি জানিয়ে আসছিল, তা পুনর্নির্ধারণে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করবেন বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
শনিবার বিকালে বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতের উন্নয়নে কর্মপন্থা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীজনদের সভায় উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হল আপনাদের সমস্যা জানা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নীতিমালা সংশোধন করা।
“আইসিএও (ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন) এর নিয়ম আমরা অন্ধভাবে অনুকরণ করতে চাই না। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের নিজস্ব আইন থাকা উচিত, তবে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাও মানতে হবে।”
তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হল-এমন একটি কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ সিভিল এভিয়েশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে নীতিমালা থাকবে, তবে তা যেন অকার্যকর না হয়।”
সভায় বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সমর্থনের অভাব, বিমানের যন্ত্রাংশে আরোপিত শুল্ক পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন অংশীজনরা। তারা দীর্ঘদিন ধরে সিভিল এভিয়েশন নীতিমালার ১৯০ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধনের দাবি করে আসছে বলেও জানান।
অংশীজনরা সম্মিলিতভাবে একটি খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করার প্রস্তাব দেন, যেখানে দ্বিমত থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান বলেন, “সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, যারা এই সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।”
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় অন্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বিভিন্ন বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
