যুদ্ধের বাজারে ইতিহাসের ‘সবচেয়ে লাভজনক অবস্থায়’ বিএসসি
বিএসসি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮০০ কোটি টাকা আয়ের বিপরীতে ৩০৬ কোটি টাকা মুনাফা করেছে বলে জানিয়েছেন কমডোর মাহমুদুল মালেক।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) লাভজনক অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমডোর মাহমুদুল মালেক।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর বিএসসি কার্যালয়ে সাংবাকিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “এ সময়ে আমাদের প্রত্যেকটা জাহাজের ভাড়া বেড়ে গেছে।”
প্রতিষ্ঠার ৫৪ বছরের মধ্যে বিএসসি এখনই সবচেয়ে লাভজনক অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) বিএসসি ৮০০ কোটি টাকা আয়ের বিপরীতে ৩০৬ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
“চলমান মুনাফা ধরে রাখতে পারলে সামনের দিনগুলোতে ওয়ান শিপ পলিসির আওতায় প্রতি বছরে একটি করে জাহাজ বিএসসির বহরে যুক্ত করা সম্ভব।”
বিএসসির জন্য আরো কয়েকটি জাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরে কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, দুটি ক্রুড অয়েলবাহী মাদার ট্যাংকার ও দুটি বাল্ক কার্গো কেনার প্রক্রিয়া চলছে। জিটুজি ভিত্তিতে জাহাজ চারটি কিনতে অর্থায়নের জন্য গত ১১ র্মাচ চীনের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
বিএসসির বহরে বর্তমানে সাতটি জাহাজ রয়েছে। এগুলো আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলে সার, ক্রুড অয়েল, রাসায়ণিকসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহন করে। আর্ন্তজাতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এসব জাহাজ ভাড়ায় চলাচল করছে।
কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, বিএসসির বহরে সর্বশেষ যুক্ত হওয়া ‘এমভি বাংলার প্রগতি’ গত বছরের ২৩ অক্টোবর ও ‘এমভি বাংলার নবযাত্রা’ চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি থেকে ভাড়ায় চলাচল করছে।
বহরে যুক্ত হওয়ার পর থেকে জাহাজ দুটি থেকে বিএসসি মোট ৫০ কোটি টাকা আয় করেছে বলে জানান তিনি।
