ঈশ্বরদীতে সিগারেট কোম্পানির বিপুল ‘রাজস্ব ফাঁকির’ খোঁজ পেল এনবিআর
বিপুল অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়, যা ব্যবহার করে সাড়ে আট কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া সম্ভব ছিল, বলছে সংস্থাটি।
পাবনার ঈশ্বরদীতে ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বড় অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গোপন সূত্রের ভিত্তিতে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি দল এ অভিযান চালায় বলে বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে এনবিআর।
এতে বলা হয়, অভিযানকালে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯০ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য ৩৮ লাখ টাকারও বেশি। এসব সিগারেটের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য প্রায় ২৯ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার দাবি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এছাড়া ১০ লাখ ২৯ হাজার পিস অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল/স্ট্যাম্প উদ্ধার করার তথ্য দিয়ে এনবিআর বলছে, যা ব্যবহার করা হলে আরও সাড়ে আট কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া সম্ভব ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ পিস বৈধ ব্যান্ডরোল সংগ্রহ করলেও তা ব্যবহার না করে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে সিগারেট উৎপাদন ও বিক্রয় করছিল।
“গোয়েন্দা দলের পর্যবেক্ষণে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করলেও দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক উৎপাদন কার্যক্রম প্রদর্শন না করে গোপনে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে।
তামাক ও তামাকজাত পণ্যের অবৈধ উৎপাদন, বাজারজাত করা এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে এনবিআর সম্প্রতি কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এনবিআর বলেছে, জব্দ করা সব সিগারেট ও উপকরণ ‘আইনানুগভাবে জব্দ করা হয়েছে’ এবং ‘প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বক্তব্য জানতে পারেনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
