মোহাম্মদপুরের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী’ কাইল্ল্যা ফারুক অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকার ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী’ মো. ফারুক ওরফে কাইল্ল্যা ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-২। এ সময় তার সহযোগী ইসমাইল হোসেন ডালিমকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে সোমবার বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এসআরবি-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, “গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুক ও ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি ৯ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়েছে।
“ফারুকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, চণ্ডীপুর এলাকায় স্টিডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের জিম্মি করে চাঁদা দাবি এবং মোহাম্মদপুরের ৪০ ফিট এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বসিলা ব্রিজ এলাকায় ছিনতাইয়ে জড়িত কিশোর-তরুণদের আশ্রয়-প্রশ্রয়, জোরপূর্বক জমি দখল করে বালু ভরাট এবং মাদক ব্যবসায়ীদের ‘গডফাদার’ হিসেবে সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।”
ফারুকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক, দাঙ্গা, হত্যাচেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে চারটি মামলা আছে বলেও তথ্য দেন এসআরবি-২ এর অধিনায়ক। তিনি বলেন, “লক্ষ্মীপুর সদর থানায়ও ফারুকের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা রয়েছে। অস্ত্র আইন এবং স্টিডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসে চাঁদাবাজির ঘটনায় আরও দুটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে নয়মুল হাসান বলেন, “আগের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
স্টিডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে আহত করার ঘটনায় ফারুক জড়িত ছিল কি না প্রশ্নে এসআরবি-২ অধিনায়ক বলেন, “ওই ঘটনায় ফারুক সেখানে ছিলেন। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
