আবু সাঈদ হত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে ট্রাইব্যুনালে পরিবার
আবু সাঈদের ভাই রমজান আলী বলেন, "আগামী ৯ তারিখ রায় ঘোষণার দিন ধার্য হয়েছে, সে বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।"
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসেছেন তার পরিবার ও সহযোদ্ধারা।
আবু সাঈদের পরিবারের সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালে আসেন। তারা প্রসিকিউটর মইনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
ট্রাইব্যুনালে আসা প্রতিনিধি দলে ছিলেন আবু সাঈদের দুই বড় ভাই আবু হোসেন এবং রমজান আলী, যিনি এই মামলার বাদী।
এছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুরের সমন্বয়ক রহমত আলী, আবু সাঈদের বন্ধু ও সহযোদ্ধা মাহিদ হাসান শাকিল এবং মামলার অন্যতম সাক্ষী, সহযোদ্ধা ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আরমান হোসেন।
পরে আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী সাংবাদিকদের বলেন, "আগামী ৯ তারিখ রায় ঘোষণার দিন ধার্য হয়েছে, সে বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।"
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়রেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন তারই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে। ওইদিন সারা দেশে তিনিসহ অন্তত ছয় জন নিহত হন।
এ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৪ জুন প্রধান কৌঁসুলির কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন।
পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই রাষ্ট্রের খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। ৬ অগাস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল-২। ২৭ অগাস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
