মাইলামের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছিল: শোকবার্তায় ফখরুল
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পর ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল’-এ মাইলামের ভূমিকার কথাও শোকবার্তায় তুলে ধরা হয়।
নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।
খ্যাতনামা এ মার্কিন কূটনীতিক যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সেক্রামান্টো শহরে মারা যান মঙ্গলবার; তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। পরদিন এক ‘এক্স’ পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক সাবেক কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোভিচ তার সহকর্মী মাইলামের মৃত্যুর খবর দেন।
চলতি বছরের মার্চ মাসেও মাইলাম ঢাকা সফর করেছিলেন।
শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি ও বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মাইলামের ছিল গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা।
তিনি বলেন, “১৯৬২ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেওয়া এই পেশাদার কূটনীতিক ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নিষ্ঠাবান নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছিল।”
১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পর পরিচালিত ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল’-এ তার ভূমিকার কথাও শোকবার্তায় তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে কাজ করে যান বলেও বলেন মির্জা ফখরুল।
অবসরের পর উইলিয়াম বি মাইলাম যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ত্রৈমাসিক সাময়িকী সাউথ এশিয়া পার্সপেকটিভসের সম্পাদক ছিলেন। তিনি ‘রাইট টু ফ্রিডম’-এর প্রেসিডেন্ট এবং ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক উইলসন সেন্টারের সিনিয়র স্কলার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। কূটনৈতিক জীবন শেষ হওয়ার পরও তিনি প্রায়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাইলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
