২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

স্ত্রী-ছেলেসহ দুদকের মামলায় আসামি শাজাহান খান, মেয়েকে সম্পদের নোটিস

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খানের সম্পদ বিবরণীর নোটিস জারি করেছে দুদক।

স্ত্রী-ছেলেসহ দুদকের মামলায় আসামি শাজাহান খান, মেয়েকে সম্পদের নোটিস
গ্রেপ্তারের পর আদালতে শাজাহান খান। ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Feb 2025, 06:52 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:31 PM

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

একই ধরনের অভিযোগে শাজাহান খানের স্ত্রী সৈয়দা রোকেয়া বেগম, তাদের ছেলে মো. আসিবুর রহমানের নামেও আলাদা মামলা হয়েছে। 

এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খানের সম্পদ বিবরণীর নোটিস জারি করেছে দুদক। 

রোববার দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলা দায়েরের তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, মামলায় শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। 

এছাড়া তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৯টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা সন্দেহজনক লেনদেনেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। 

দ্বিতীয় মামলায় আসামি শাজাহান খানের সঙ্গে তার স্ত্রী সৈয়দা রোকেয়া বেগমকে আসামি করা হয়েছে। 

এই তাদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় মামলায় বাবার সঙ্গে আসামি হয়েছে মো. আসিবুর রহমান। তার বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

এদিকে ১ কোটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার ৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে শাহজাহান খানের মেয়ে ঐশী খানের সম্পদ বিবরণীর নোটিস জারি করেছে দুদক।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি।

শাজাহান খান ১৯৮৬ সালে প্রথম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাদারীপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

একই আসন থেকে পরে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

গত বছরের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন শাজাহান খান। 

পরে ৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। 

তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে।