মাদক মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন
“দুই আসামির জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।”
এক দশক আগে ঢাকার বংশাল থানার একটি মাদক মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন মঙ্গলবার এ রায় দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান সাজার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”
দণ্ড পাওয়া দুই আসামি হলেন শাহেদ হোসেন ও মনির হোসেন কুরবান।
তিনি বলেন, “দুই আসামি জামিনে ছিলেন। আসামিদের মধ্যে শাহেদ আদালতে হাজির হন। তবে রায়ের সময় তাকে ডেকে পাওয়া যায়নি।
“আর কুরবান অসুস্থ, এ কথা তুলে ধরে তার আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে দুই আসামির জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।”
২০১৬ সালের ৩০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বংশাল থানার আগামাসি লেন এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিবির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান চালায়। তাদের দেখে কয়েকজন পালিয়ে যান। শাহেদ ও কুরবানকে আটক করে পুলিশ। কুরবানকে তল্লাশি করে ৮০০টি ও শাহাদের কাছ থেকে ৭০০ মাদক হিসেবে ব্যবহৃত ‘ইনজেকশনের অ্যাম্পুল’ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের ডেমরা জোনাল টিমের এসআই এরশাদ হোসেন ওইদিনই বংশাল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন ডেমরা জোনাল টিমের আরেক এসআই ডি এম এ মজিদ।
২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে চার জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিদের মঙ্গলবার সাজার রায় এল।
