বীর নিবাস প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৮ হাজার ঘর নির্মাণ হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী
“অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।”
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে বীর নিবাস প্রকল্পের আওতায় যে ৩০ হাজার ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৭ হাজার ৮০৬টি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
সোমবার মরাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
অতীতে প্রকল্পে অনিয়ম নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করা হবে।”
বীর নিবাস প্রকল্পের অবশিষ্ট ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় মাঠ প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ‘সমুন্নত’ রাখা এবং চলমান আবাসন প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ফিল্ড অফিস না থাকায় মাঠ প্রশাসনের ওপর নির্ভরশীলতার কথা তুলে ধরে ইশরাক বলেন, “মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ফিল্ড অফিস না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়ন মূলত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। এ কারণে ডিসিদের সঙ্গে এই ধরনের ইন্টারঅ্যাক্টিভ সেশন অত্যন্ত ফলপ্রসূ।”
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও অধিবেশনে তুলে ধরা হয়। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলাপ্রশাসকদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে মন্ত্রণালয়কে আরও জনবান্ধব করার প্রত্যয় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নতুন পরামর্শগুলো কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে কাজের গতি আরও ত্বরান্বিত করা হবে।”
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
