টিবি হাসপাতাল শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
হাসপাতালটির পরিধি ও সক্ষমতা বাড়াতে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, বলেন তিনি।
ঢাকার টিবি হাসপাতালকে শিগগিরিই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তরের কথা বলেছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেন, হাসপাতালটির পরিধি ও সক্ষমতা বাড়াতে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী বক্তব্য রাখছিলেন বলে তার দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
হাসপাতালটিকে ইনস্টিটিউট করা হলে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করেন ববি হাজ্জাজ।
হাসপাতালের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৩ সালে ‘টিবি (টিউকারকিউলোসিস) কন্ট্রোল প্রজেক্ট’ হিসাবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় টিবি কন্ট্রোল প্রজেক্ট, শ্যামলী’ এবং তখন থেকেই বহির্বিভাগ সেবা প্রদান শুরু করে। ২০১৫ সালে একটি নতুন চার তলা ভবন নির্মাণ হয়ে হাসপাতালের নামকরণ করা হয় ‘২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল’। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে অন্তর্বিভাগ সেবা উদ্বোধন করা হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ্যের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে জনবল সংকট দূর করা জরুরি।
“এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার কথাও বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এসময় রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
