হিন্দু আইন সংস্কারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস মতিয়া চৌধুরীর
দাবির ন্যায্যতা ও যৌক্তিকতা স্বীকার করে তিনি বলেন, “তবে আপনাদেরকে লেগে থাকতে হবে; সমাজের মানুষকে বোঝাতে হবে, জাগাতে হবে।”
সম্পত্তিতে হিন্দু ও বৌদ্ধ নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী।
সোমবার বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের একটি প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে ১১ দফা দাবির একটি স্মারকলিপি নেওয়ার সময় সংসদ উপনেতা এ আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধি দল হিন্দু আইনের আওতায় নারী, লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠি, প্রতিবন্ধী এবং দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা তুলে ধরে আইন সংশোধনের জন্য সংসদ উপনেতার সহায়তা চাইলে মতিয়া চৌধুরী বলেন, “আমি বিষয়টি নিয়ে নেত্রীর সঙ্গে কথা বলব।”
দাবির ন্যায্যতা ও যৌক্তিকতা স্বীকার করে তিনি বলেন, “তবে আপনাদেরকে লেগে থাকতে হবে; সমাজের মানুষকে বোঝাতে হবে, জাগাতে হবে।”
হিন্দু আইন সংস্কারের দাবিতে জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্যের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ।
এরই অংশ হিসেবে সোমবার সকলে রমনায় সংসদ উপনেতার সঙ্গে তার বাসভবনে দেখা করে প্রথম স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
সংস্কার পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক, সহ-সভাপতি সাংবাদিক সুভাষ সাহা, ভানুলাল দাস ও গোকুল কৃষ্ণ পোদ্দার, সিনিয়র সদস্য ও মহিলা ঐক্য পরিষদের (বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নারী শাখা) সভাপতি সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য, সংস্কার পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক মুক্তা রাণী শেরপা, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা সুশান্ত বড়ুয়া, শুভ চন্দ্র দাস (নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক), অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দেব উপস্থিত ছিলেন।
