২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

জরুরি অবস্থা ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ঐকমত্য: আলী রীয়াজ

“জরুরি অবস্থা ঘোষণায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন লাগবে। আর মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বা বিরোধীদলীয় সংসদীয় উপনেতাকে উপস্থিত থাকতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Jul 2025, 08:30 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:22 PM

দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর একমত হওয়ার কথা বলছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ।  

রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১২তম দিনের আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।  

আলী রীয়াজ বলেন, "প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে আজ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য ঐকমত্য হয়েছে। 

“এর আগের বৈঠকে সংবিধানের বিদ্যমান ৯৫ অনুচ্ছেদ ও রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে আপিল বিভাগ থেকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সবাই একমত হয়েছিল। আজকের বৈঠকে আরও তিনটি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আপিল বিভাগ থেকে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। তবে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট ক্ষমতায় গিয়ে সংবিধান সংশোধন করে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একজনের পরিবর্তে দুজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

“অসদাচারণ বা অসামর্থ্য অভিযোগের কারণে ৯২ অনুচ্ছেদের অধীন কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকলে তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।" 

দেশে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে আলী রীয়াজ বলেন, "দলগুলো এ বিষয়ে একমত যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেন দেশে জরুরি অবস্থা জারি না হয়। সে অনুযায়ী ১৪১ ‘ক’ বিধানে অভ্যন্তরীণ গোলযোগের পরিবর্তে ‘রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা’, ‘সার্বভৌমত্ব’, ‘রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রতি হুমকি’, ‘মহামারী’ ও ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ‘ শব্দগুলো যুক্ত থাকবে।

"এছাড়া জরুরি অবস্থা ঘোষণায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন লাগবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বা বিরোধীদলীয় সংসদীয় উপনেতা উপস্থিত থাকতে হবে। জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রে  কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব করা যাবে না।"