নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লার ভোটের জন্য বিধির অপেক্ষায় ইসি
দলীয় ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে প্রথম নির্বাচন আয়োজনের জন্য মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ বিধিমালার অপেক্ষায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এই দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।
শুক্রবার ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এখন নির্বাচন বিধি ও আচরণবিধি’র অপেক্ষায় রয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পেলে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এরপরই ভোটের তারিখ নির্ধারণে কমিশন বৈঠক হবে।”
তিনি জানান, ২৮ ডিসেম্বরে জেলা পরিষদ ভোট হবে। নারায়ণগঞ্জে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটের তফসিল দেওয়া হবে।
২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং আগামী বছর ৮ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
আইন অনুযায়ী, এ বছরের ২৯ জুন থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে এবং ১২ অগাস্ট থেকে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কুমিল্লায় ভোট করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু মেয়র। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগহ সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মেয়র হন দলটিরই আরেক নেতা সেলিনা হায়াৎ আইভী।
আগের বার অদলীয় নির্বাচন হলেও স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর এবার দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন হবে।
নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা নির্বাচন একদিনে করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।
ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটির মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী সীমানা বাড়ানোর উদ্যোগ রয়েছে। এ নিয়ে আইননি জটিলতার শঙ্কাও জেগেছে।
তবে ইসি সচিব বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো জটিলতার শঙ্কা দেখছি না। আশা করি, নির্ধারিত সময়ে ভোট করা সম্ভব হবে।”
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আগামী ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভোটের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ এগোচ্ছে। সেক্ষেত্রে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। তফসিল ঘোষণার আগে নভেম্বরের প্রথমার্ধেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করা হবে।
