দূতাবাসে হুমকি: কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার
পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
মেইলে ঢাকার কয়েকটি দূতাবাস হুমকি পাওয়ার পর কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলেছে পুলিশ।
রোববার বিকালে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আবু খায়ের বলেন, “আমরা লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। আমরাও আপনাদের মতো হুমকির খবর শুনে মনিটরিংটা জোরদার করেছি।”
গত সপ্তাহে ইমেইল পাঠিয়ে চীন, রাশিয়াসহ ঢাকার একাধিক দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো ধরনের লিখিত অভিযোগ না করলেও দূতাবাসের তরফে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়।
পরে মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তরকে বিষয়টি অবগত করা হলে সেখান থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমসহ বিভিন্ন ইউনিটকে জানানো হয়।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেছেন, দূতাবাসে চাঁদা চেয়ে হুমকির ঘটনায় নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এর মধ্যে বারিধারা ও গুলশানের কূটনৈতিক এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর কথা জানাল পুলিশ।
পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চেকপোস্ট, টহল টিমের তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।
ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তা আবু খায়ের বলেন, “সবসময়ই আমাদের শতভাগ নিরাপত্তা থাকে। যেকোনো ইনসিডেন্ট ঘটলে বা মেসেজ পেলে, সেটা লিখিত বা মৌখিক—যাই হোক তৎপরতা বাড়ানো আমাদের নিয়মিত গতানুগতিক কার্যক্রমেরই অংশ।”
এদিন সকালে অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা কাজ করতেছি, এটা নিয়ে দেখা যাক…আমরা আপনাদের আশ্বস্ত করেছি, যেকোনো ঘটনা ঘটলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখি।
“আমরা আশাবাদী, এটাও আমরা উদ্ঘাটন করব; এর নেপথ্যে যারা আছে, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।”
ইতোমধ্যে ৩-৪টি দূতাবাস এবং কয়েকটা সরকারি দপ্তর এ ধরনের হুমকি পেয়েছে জানিয়ে ডিএমপির ডিবি প্রধান বলেন, “এটা শত্রুতাবশত, পাশাপাশি দেশের ইমেজ নষ্ট করার জন্য।
“রাষ্ট্রদূতরা যারা আছেন, তাদেরকে আসলে ভীতসন্ত্রস্থ করার জন্য। এটা বলব যে, দেশবিরোধী একটা অপতৎপরতা।”
