২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন শিক্ষাক্রম: ববি হাজ্জাজ
“৫০ বছর আগের শিক্ষাক্রম দিয়ে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলা সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।
নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রোববার ময়মনসিংহে বাংলা ভাষাশিক্ষার দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বর্তমান বিশ্বের চাহিদা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের বাস্তবতায় ৫০ বছর আগের শিক্ষাক্রম দিয়ে আর নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
“তাই সরকার যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে, যা ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।"
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ও ‘রুম টু রিড’ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, শুদ্ধ ভাষা চর্চা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আনন্দময় করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।"
এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর করা, শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পাঠদান পদ্ধতি চালু করা, মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মূল্যায়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, "বর্তমান টেক্সটবুকের আকার ও উপস্থাপনাও শিশুদের উপযোগী নয়। একটি ছয় বছরের শিশুর হাতে বড় আকারের বই তুলে দিলে তার মধ্যে শেখার আগ্রহ কমে যায়।”
ছোট ছোট অধ্যায়ভিত্তিক বই ও আনন্দমুখর শেখার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি কাজের একমাত্র মাপকাঠি হবে লার্নিং আউটকাম।"
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
