জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রীর বৈঠক
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় খুঁজতে দেশটির দূতাবাসের এক কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলানের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আগামী মাসে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানো, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই এবং পারস্পরিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ও আলোচনায় আসে।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। সহযোগিতার অগ্রাধিকার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে দুই দেশই আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপায় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে সরকারি পর্যায়ে বা জিটুজি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হওয়ার কথা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিপক্ষীয় জ্বালানি সহযোগিতায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে তারা খোলামেলা আলোচনা করেছেন। এসব সমস্যা সমাধানে বাস্তব পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য কর্মপরিকল্পনা নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সহযোগিতার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্ভাব্য পক্ষগুলোর সঙ্গে দ্রুত আরো বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি অংশীদারত্ব জোরদারে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এরিক গিলান বৈঠকের জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আগ্রহ অব্যাহত থাকার কথাও তিনি বলেন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জোসেফ বস্কি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
