‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’ সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাসের আহ্বান
প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে পাস না হলে অধ্যাদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব ধরনের বিকাশমান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করে জারি করা ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশটি’ নির্বাচনের পর সংসদ অধিবেশনেই পাসের আহ্বান জানিয়েছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-‘আত্মা’।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ দাবি করে অধ্যাদেশটি পাসের প্রক্রিয়ায় কোম্পানির অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কর্মীদের এই সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান করা হয়।
এদিন ‘আত্মার’ সভায় বলা হয়, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি আইন আকারে সংসদে গৃহীত হলে নতুন প্রজন্ম নিকোটিন পণ্য ব্যবহার শুরু করতে পারবেনা এবং অন্যান্য তামাকপণ্য ব্যবহারেও নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি নারী, শিশুসহ অধূমপায়ীরা পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা পাবে।
তবে আসন্ন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে পাস না হলে অধ্যাদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
সংগঠনটির ভাষ্য, “তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুমোদনের সময় কোম্পানিগুলোর নজিরবিহীন হস্তক্ষেপের কারণে খোলা বা খুচরা তামাকপণ্য বিক্রয় বন্ধ, ভ্রাম্যমাণ ও ফেরী করে তামাক বিক্রি বন্ধ, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু এবং তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার মত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবসমূহ চূড়ান্ত অধ্যাদেশ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
“এক্ষেত্রে তাই ভবিষ্যত নীতি প্রণেতাদের এ বিষয়ে সজাগ থাকা এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তারা।”
সভায় অংশ নেন করেন চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক মীর মাশরুর জামান রনি, ‘আত্মা’র কনভেনর মতুর্জা হায়দার লিটন, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ এবং সদস্যসচিব এবিএম জুবায়েরসহ আরও অনেকে।
