হজক্যাম্পে আসতে শুরু করেছেন যাত্রীরা, প্রথম ফ্লাইট শুক্রবার রাতে
৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটির শাহজালাল ছাড়ার করার কথা রয়েছে রাত ১২টা ২০ মিনিটে।
চার শতাধিক যাত্রী নিয়ে চলতি বছরে প্রথম হজ ফ্লাইট ঢাকা থেকে উড়াল দেবে শুক্রবার রাতে; এ জন্য বৃহস্পতিবার থেকেই ঢাকার আশকোনার হজক্যাম্পে আসতে শুরু করেছেন এই ফ্লাইটের হজযাত্রীরা।
হজযাত্রাকে সামনে রেখে হজক্যাম্পের সার্বিক প্রস্তুতি দেখতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ সেখানে পরিদর্শন করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন।
তিনি বলেছেন, হজযাত্রীরা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে হজ পালন করতে পারে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সরকার।
মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রীর হজক্যাম্প পরিদর্শনের সময় হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী মোফাজ্জাল হোসাইন হজ ফ্লাইটের সামগ্রিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং ক্যাম্পের সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের হজযাত্রার প্রস্তুতি, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য বিষয়েও খোঁজ নেন।
এসময় মন্ত্রী ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দলনেতাদের সঙ্গেও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, “হজযাত্রীরা হচ্ছেন আল্লাহর মেহমান। তাদের সেবাকে খেদমত হিসেবে দেখতে হবে। কোনোভাবেই যেন তারা কষ্ট না পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি বলেন, “হজযাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদ ও
নির্বিঘ্নে পবিত্র এই সফরে যেতে পারেন সে বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।”
তিনি হজযাত্রীদের সেবায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। গভীর রাত পর্যন্ত হজক্যাম্পে অবস্থান করেন মন্ত্রী।
শাহজালালে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চলতি বছরের হজযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম ফ্লাইটের শাহজালাল ছাড়ার করার কথা।
এদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে; যার মধ্যে ছয়টি পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং চারটি সৌদি আরবের সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস চারটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ করবেন; তাদের এদের মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাহার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি মাধ্যম অর্থাৎ হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ করতে সৌদি যাবেন।
আগামী ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি; এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সৌদিয়া ৭৫ টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে হতে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। যা শেষ হবে জুলাই মাসের এক তারিখে।
