প্রধানমন্ত্রীর সই জাল করে প্রতারণার মামলায় ৬ আসামি রিমান্ডে
সংঘবদ্ধ চক্র স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে, অভিযোগ করা হয় মামলায়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিল ও সই জালিয়াতি করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে রমনা থানার এক মামলায় ছয় আসামিকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাদের সাত দিনের রিমান্ড আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম এ তথ্য দিয়েছেন।
ওই আসামিরা হলেন- ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসী, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।
গত ৪ অগাস্ট রাতে মাদারীপুরের পাঙ্গাশিয়া থেকে ফারুক ও সাকিব হন। তাদের দেওয়া তথ্যে মাসুম ও তৌহিদুলকে কালকিনি পৌরসভা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আর ৫ অগাস্ট সকালে কুষ্টিয়ার সদর থানার সদর হাউজিং এলাকা থেকে বকুলকে এবং পরে রফিকুল গ্রেপ্তার করা হয়। এদিনই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নাম ও খাম ব্যবহার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি খামে সাত পাতার নথি পাঠানো হয়। সেই খামে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর যুক্ত নথি ছিল।
নথিগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ হলে তদন্তের জন্য ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হয়। সেই খাম ও নথির সূত্র ধরে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম, পরিচয় ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভুয়া নথি তৈরির বিষয়টি নজরে আসে পুলিশের। সংঘবদ্ধ চক্র এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
ডিবি পুলিশের এসআই রায়হানুর রহমান গত ৫ অগাস্ট রমনা মডেল থানায় এ মামলা করেন। তদন্তে নেমে আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের এসআই মো. সামিম সরদার গত ৭ অগাস্ট তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত শুনানির দিন ধার্য করেছিল বুধবার।
