০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সাকিবসহ ১৫ জনের মামলায় প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল

গেল বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

সাকিবসহ ১৫ জনের মামলায় প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Jul 2026, 04:16 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:27 PM

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, তার মা শিরিন আক্তারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়েছে।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল সোমবার। কিন্তু এদিন দুদক প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। 

এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন দিয়েছেন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

দুদকের আদালতের প্রসিকিউশনের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের,তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর,কনিকা আফরোজ,মোহাম্মদ বাশার,সাজেদ মাদবর,আলেয়া বেগম,কাজি ফুয়াদ হাসান,কাজি ফরিদ হাসান,জাভেদ এ মতিন,জাহেদ কামাল,হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম। 

গেল বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও একাউন্টে অবৈধভাবে সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক একটিভ ট্রাডিং, গেম্বলিং, ও স্পেকুলেশন-এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করে বাজারে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। 

“এই পদ্ধতিতে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত। এর মধ্যে আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজি সাদিয়া হাসানের সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক একাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।”

মামলার অভিযোগের আরও বলা হয়েছে, আসামি মো. আবুল খায়েরের (হিরু) মাধ্যমে শেয়ার বাজারে কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লি, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লি. এবং সোনালী পেপারস লি.-এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ার বাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।