মুচলেকায় ছাড়া পেলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ৩ জন
সোমবার রাতে এ তিনজনকে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়।
হাক্কানী পাবলিশার্সের মালিকের বাসায় মধ্যরাতে ঢোকার চেষ্টার সময় আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
প্রায় ১৩ ঘণ্টা থানায় আটক থাকার পর মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান ধানমন্ডি থানার ওসি ক্যশৈনু।
"তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তারা ছাত্র; আর এ ধরনের কোনো কাজ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।"
ছাড়া পাওয়া তিনজন হলেন পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাব্বী (২৬)।
ফারহান সরকার দীনা (২৬) নামে আরেকজন সংগঠনটির ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়েন।
আরেকজনের নাম মোহাম্মাদউল্লাহ জিসান (২৪), যিনি মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজের শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ কর্মী পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে সহায়ক হিসেবে কাজ করেন।
ওসি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
হাক্কানী পাবলিশার্সের মালিক গোলাম মোস্তফার ভাষ্য, সোমবার রাতে ‘কয়েকজন ছেলে‘ তার বাসার সামনে হইচই করছিল। তারা জোর করে বাসায় ঢোকার চেষ্টাও করে। পরে তিনি ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ আসে।
পরে ওই বাড়ির নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে পুলিশের বিতণ্ডা হয়। গোলাম মোস্তফাকে আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর আখ্যা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চাপ দেওয়া হয়।
তখন পুলিশ বলে, গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।
সোমবার রাত ২টার দিকে ধানমন্ডি থানার এসআই খলিলুর রহমান বলেছিলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরিচয় দেওয়া তিনজনকে তারা ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছেন।
বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের গোপন নথি নিয়ে ১৪ খণ্ডের বই 'সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’সহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বেশ কিছু বই প্রকাশ করেছে হাক্কানী পাবলিশার্স।
স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রও ১৫ খণ্ডে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন
