আনিসুল হক, তৌফিকাসহ ৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
মামলার আবেদনে বলা হয়, “আনিসুল হক, তৌফিকা করিম এবং রাশেদুল কাওসার ২৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জন করেছেন।”
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সিটিজেন ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আইনজীবী তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমসহ তিন জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।
নিষেধাজ্ঞার আদেশ পাওয়া অপর জন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদুল কাওসার ভূঁঞা ওরফে জীবন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিন সিআইডির ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইসলাম তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, “আনিসুল হক, তৌফিকা করিম এবং রাশেদুল কাওসারের সংঘবদ্ধভাবে ২৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জন করেছেন। এই অর্থ লন্ডারিংয়ের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রা রোধ করা প্রয়োজন।”
গত বছরের ১১ নভেম্বর সিআইডি পুলিশের আবেদনে তৌফিকা করিমের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেয় একই আদালত। এছাড়া আইন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বিচারিক আদালতে নিয়োগ, বদলি ও জামিনসহ বিভিন্ন অবৈধ তদবির বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ ও অন্যান্য নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৬ ফেব্রয়ারি দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে তৌফিকা করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আসে ওই আদালত থেকে।
চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৩ অগাস্ট পালানোর সময়ে রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও দুদকের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। নেওয়া হয় রিমান্ডেও, বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
