৫ থানার কার্যক্রম শুরু হয়নি এখনো
আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এসব থানার কার্যক্রম শুরু হবে, বলছে পুলিশ সদর দপ্তর।
ভেঙেপড়া পুলিশি ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে দেশের ৬৩৪টি থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাকি পাঁচটি থানা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেসব চালু করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়, মহানগর এলাকার ১১০টি থানার সবকটিই ইতোমধ্যে চালু করা হয়েছে। আর জেলার ৫২৯টি থানার মধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৫২৪টির।
জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা কামরুল আহসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর, কুমিল্লার তিতাস ও নাঙ্গলকোট এবং লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও রামগঞ্জ থানা এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, লজিস্টিকস, আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ধ্বংস হওয়ায় এসব থানার কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। তবে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এই পাঁচ থানার কার্যক্রম শুরু হবে।
গত ৫ আগস্ট তীব্র গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার পতনের সঙ্গে ভেঙে পড়ে দেশের পুলিশি ব্যবস্থা। এক সপ্তাহ বাদে প্রায় সব থানা চালুর কথা বলা হলেও এখনো বেশির ভাগ থানা অপারেশনাল কাজে নামতে পারেনি।
সরকার পতনের পর ঢাকার থানাগুলোতে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার খবর আসতে থাকে। এরপর থেকে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় দেশের পুলিশি ব্যবস্থা। একরকম পালিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যরা কাজে ফিরতে ১১ দফা দাবিও জানান।
রোববার রাতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দাবি পূরণের আশ্বাস পান পুলিশ সদস্যরা। পরদিন তারা বিভিন্ন থানায় যোগ দিয়েছেন।
ইতোমধ্যে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নেমেছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও। এরমধ্যে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর কার্যক্রম ‘পূর্ণমাত্রায়’ চালুর খবর এল।
