ঢাকার বৃত্তাকার সড়ক: নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীর ভেতরের সড়ক ব্যবহার না করেই সহজেই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাওয়া যাবে।
ঢাকার যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চান’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় সরকারপ্রধান এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, “সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের নির্মাণকাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বলছেন। প্রকল্পের নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, “সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে নির্দেশনা দিয়েছেন।”
ঢাকার বৃত্তাকার সড়ক প্রকল্পের অংশ হিসেবে আব্দুল্লাহপুর রেলগেইট থেকে ধউর, বিরুলিয়া, গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, সোয়ারীঘাট, কদমতলী, তেঘরিয়া, পোস্তা, ফতুল্লা, চাষাড়া, শিমরাইল হয়ে ডেমরা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ করা হবে। আরেকটি অংশে রেলগেইট থেকে তেরমুখ, পূর্বাচল, বেরাইদ হয়ে ডেমরায় যাবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮৯ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে।
এর মধ্যে রায়ের বাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ চলছে। বৃত্তাকার এ সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে রাজধানীর ভেতরের সড়ক ব্যবহার না করেই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে সহজেই যাওয়া যাবে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
