পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ১৮ বহুতল ভবন করবে ডিএসসিসি
মিরনজিল্লা, ধলপুর, গণকটুলি, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, পোস্তগোলাসহ বিভিন্ন কলোনিতে এসব ভবন নির্মাণ করা হবে।
পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরাপদ বাসস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বর্তমানে থাকা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে নতুন ‘আধুনিক সুবিধা’ সম্বলিত এসব আবাসন তৈরির কথা বলেছেন ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর দয়াগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিবাস পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সুধীজন ও কর্মীদের উদ্দেশে প্রশাসক এসব কথা বলেন।
পরে কর্পোরেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সভার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য মিরনজিল্লা, ধলপুর, গণকটুলি, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, পোস্তগোলাসহ বিভিন্ন কলোনিতে এসব ভবন নির্মাণ করা হবে। এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
বিদ্যমান ভবনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার কথা তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, “বর্তমান ভবনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের আগে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। বাসিন্দারা যত দ্রুত সহযোগিতা করবেন, আধুনিক আবাসন নির্মাণের কাজ তত দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে।”
নতুন আবাসন প্রকল্পে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে বলেও প্রশাসকের ভাষ্য। তিনি বলেন, “সেখানে শিশুদের খেলার মাঠ এবং মন্দির থাকবে।”
এদিকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছেন প্রশাসক।
গ্যাস বিল ডিএসসিসির পক্ষ থেকে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। ঈদে ৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণাও দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ এবং ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
