নারী অধিকার রক্ষায় ‘বহুদলীয় ককাস’ গঠন করতে চান নারী এমপিরা
“সংসদে নারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই,” বলেন জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নেসা সিদ্দীকা।
ত্রয়োদশ সংসদে নারী অধিকার রক্ষা, জেন্ডার বাজেট বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে ‘বহুদলীয় সংসদীয় ককাস’ গঠনের কথা বলেছেন ৩৯ নারী এমপি।
রাজধানীর একটি হোটেলে সম্প্রতি ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের (ডিআই) এক অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, এনসিপি ও স্বতন্ত্র নারী এমপিরা বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।
যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) সহায়তায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় বলে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, “পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও সহিংসতা নারীদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে নারীনেতৃবৃন্দকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”
জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি, সংসদ সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দীকা বলেন, “আমরা ভিন্ন দল থেকে নির্বাচিত হলেও নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের প্রশ্নে আমরা প্রতিপক্ষ নই। সংসদে নারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।”
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু তরুণ ও অভিজ্ঞ নারী রাজনীতিবিদদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংসদে নারী আসন বৃদ্ধি ও বৈষম্যমূলক আইন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ককাস শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি নেত্রী সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা ও রাশেদা বেগম হীরা।
অনুষ্ঠানে বিএনপির নিপুণ রায় চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম তুলি, হেলেন জেরিন খান, জামায়াতে ইসলামীর সাবিকুন্নাহার মুন্নী, এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মাহবুবা হাকিমসহ ৩৯ জন নারী এমপি উপস্থিত ছিলেন।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অব পার্টি ক্যাথেরিন সিসিল, ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান ও সিনিয়র ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাসও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
