১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ড. শ্যামল দাস বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এলিজাবেথ সিটি স্টেট ইউনিভার্সিটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের একজন পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসের একটি স্বনামধন্য ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর যুক্তরাষ্ট্রের সাদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি অ্যাট কারবন্ডেল থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বাংলাদেশের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম পূর্ণকালীন শিক্ষক ছিলেন। বিশেষত সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নারী পাচার, সংখ্যাতাত্ত্বিক পদ্ধতি এবং উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান তার গবেষণার ক্ষেত্র। ২০২২ সালে নর্থ ক্যারোলাইনা ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের অধীনে অধ্যাপনায় অসামান্য উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি মর্যাদাপূর্ণ ‘গভর্নর টিচিং এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। বিভিন্ন জার্নাল ও গবেষণাভিত্তিক পুস্তকে তার গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা গ্রান্ট পরিচালনা করছেন এবং এর আগে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের নারী পাচার বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো কি ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে ভাষণকে পাকিস্তানি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেখেছিল পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে, সেই ভাষণ বাজানোর ‘অপরাধে’ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েজনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাজনীতি কি দায়মুক্তি ও বিচারকে কৌশলের মাঠ বানাচ্ছে? বাংলাদেশ এখন এই প্রশ্নের মুখোমুখি।
রাষ্ট্রপতির অভিযোগ সত্য হলে আইন তার পথ নিক; অসত্য হলে সেটিও স্বচ্ছভাবে প্রমাণিত হোক। কারণ রাষ্ট্র টিকে থাকে নিয়মে, নিয়মের অভিনয়ে নয়।