১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গবেষক ও প্রকাশক। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি। সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব জেনোসাইড অ্যান্ড জাস্টিসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্সের সদস্য। দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা এই মানুষটি ছায়ানট ও জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের নির্বাহী সদস্য। দেশের খ্যাতনামা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সাহিত্য প্রকাশের পরিচালক। সাহিত্যকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও একুশে পদক।
ক্যামেরা হাতে মানুষের হৃদয়টা হতে হয় অনেক বড়—এই দর্শনেই রঘু রাই ধারণ করেছিলেন একাত্তরের কান্না ও মুক্তি। বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রঘু রাইকে নিয়ে এক অনন্য শ্রদ্ধার্ঘ্য।
নিজে গান গেয়েছেন, গানের ভেতরে প্রবেশ করছেন, অন্যকে এই গানের জগতে হাত ধরে প্রবেশ করাবার জন্যে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। কিন্তু এটাই তাঁর একমাত্র পরিচয় নয়, তিনি একজন বহুমাত্রিক মানুষ।