হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূলে ট্যাংকারে প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী ট্যাংকারটি ওমানের লিমা বন্দরের কাছে হামলার শিকার হয়। কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূল দিয়ে গমনরত একটি ট্যাংকারে একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর সেটিতে আগুন ধরে গেছে।
মঙ্গলবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর বরাতে জানিয়েছে আল জাজিরা।
পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রবেশ পথে কোনো জাহাজে হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু করার আগে এ প্রণালিটি দিয়ে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হতো।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী ট্যাংকারটি হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করার পর হামলার শিকার হয়। কিন্তু তেহরান সরাসরি হামলার দায় স্বীকার করেনি।
তেহরান বারবার ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালিতে শুধু তাদের অনুমোদিত পথটি ব্যবহার করা নিরাপদ হবে। তাই ওমান উপকূল বরাবর অন্য পথ ব্যবহার করা জাহাজগুলোতে তারাই হামলা চালাচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের লিমা বন্দরের কাছে হরমুজ প্রণালির প্রবেশ মুখে জাহাজটি হামলার শিকার হয়েছে। জাহাজটির বাম পাশের পোর্ট সাইড অংশে প্রজেক্টাইলটি আঘাত হানে। এটি তখন হরমুজ প্রণালি থেকে বের হয়ে দক্ষিণমুখে ওমান উপসাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান চলার মধ্যে এ হামলার ঘটনাটি ঘটল। যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে আলোচনা চলছে খামেনির দাফন পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
রাতে খামেনির কফিন ইরানের কোম নগরে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৬টায় কোমের জামকারান মসজিদে জানাজার নামাজের পর খামেনির কফিন নিয়ে বিশাল শোকযাত্রা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
