২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বন্যা আক্রান্ত জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
হাসপাতালগুলোতে জরুরি বিভাগ আছে ঠিকই, কিন্তু কক্ষের মধ্যে একটি শয্যা ছাড়া চিকিৎসার আর কোনো সরঞ্জাম নেই বললেই চলে।
স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধাপে ধাপে বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।
“জনস্বার্থে যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে সরকার বিন্দুমাত্র পিছপা হবে না।”
প্রত্যেক পরিবারকে ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের প্রতিনিধি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো পরিদর্শন করবে।
অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে শিশু মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি প্রতিকারের জন্য করণীয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।