২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
নভোচারীদের জন্য এ অসাধারণ ভ্রমণের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল সূর্যগ্রহণ দেখা, যেখানে সূর্য তাদের অবস্থান থেকে পুরোপুরি চাঁদের আড়ালে চলে গিয়েছিল।
চাঁদ যখন পৃথিবীর কোল ঘেঁষে সূর্যের সামনে এসে দাঁড়াল, সেই অদ্ভুত অন্ধকার আর রূপালি আলোর সাক্ষী হল অ্যান্টার্কটিকার বরফ ঘেরা প্রান্তরের কয়েক হাজার পেঙ্গুইন।
পূর্ণগ্রহণের পর সূর্যের আলো যখন আবার ফিরে আসতে শুরু করল তখন কিছু পাখি এদের স্বাভাবিক ‘ভোরের গান’ গাইলো, যেন নতুন দিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এরা।
মোট সাত ঘণ্টা ২৭ মিনিট স্থায়ী হবে গ্রহণ। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয় রাত ৯টা ২৮ মিনিটে।
বাংলাদেশে স্থানীয় সময় অনুসারে চাঁদের পেনুম্ব্রাল গ্রহণ শুরু হবে রোববার রাত ৯টা ২৮ মিনিট ২৫ সেকেন্ড থেকে। এরপর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ শুরু একইদিন রাত ১০টা ২৭ মিনিটি ০৯ সেকেন্ডে।
ঢাকায় স্থানীয় সময় অনুসারে চাঁদের পেনুম্ব্রাল গ্রহণ শুরু হবে রোববার রাত ৯টা ২৮মিনিট ২৫সেকেন্ড থেকে।
মহাকাশে দুটি স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ তৈরি করবে এ স্যাটেলাইট।
বুধবার দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে।