০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আগামী ৭ জুনের মধ্যে সরকার আপিল না করে সচিবালয় বাতিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে হাই কোর্টে আইনি লড়াই শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।
এসব কর্মকর্তাকে অন্য স্থানে দায়িত্ব দেওয়া হবে এখন।
এ বিষয়ে রায় হওয়া আরেকটি রিট মামলার আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অপেক্ষমান রাখা হবে।
পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার, সেটি সংসদে রহিত করে বিল পাস হয়েছে।
ফলে আপাতত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের জন্য আলাদা কোনো আইন থাকছে না, সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইনগত ভিত্তিও থাকছে না।
আপিল চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে হাই কোর্টের রায় কার্যকর হবে না বলেও তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
অধ্যাদেশে পরিবর্তন আনার ফলে রেফাত আহমেদও কমিশনের সদস্য হবেন।
“দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা জরুরি হয়ে পড়েছে,” বলা হয় চিঠিতে।