২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
“ক্যান্সার ‘সার্ভাইভারদের’ জন্য সমন্বিত পুনর্বাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি,” বলা হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
“ক্যান্সার এখন শুধু একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক ও মানসিক সংকট।”
“স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক প্রশান্তি ও নিয়মিত ব্যায়ামই সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি,” বলেন প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হালিদা হানুম।
“সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে সহমর্মিতা ও সমর্থনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিরা সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে বাঁচতে পারেন।”
“যে সময়ে আমরা এসে দাঁড়িয়েছি, এখন আমরা কেউ কাউকে অনুভব করতে চাই না,” বলেন আফজাল হোসেন।
প্রশিক্ষণ দেন ছয়জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
ক্যান্সারের চিকিৎসায় তহবিল গঠনে সরকারকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সারভাইভাররা।
ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু ভেঙে পড়েননি। চিকিৎসা যেমন নিয়েছেন। তেমনি ক্যান্সারকে ধরাশায়ী করেছেন মনের জোরেও। এমন মানুষদের গল্প নিয়েই- এখানে থেমো না।