০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
২০২৫ সালের এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, ডার্ক এনার্জি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ গতিকে বাড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে।
নীহারিকার মধ্যে আয়রন পরমাণুর বিশাল এক মেঘ দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা দণ্ড বা বারের মতো আকৃতি নিয়ে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে।
হতে পারে বস্তুটি শ্বেত বামন বা এক ধরনের মৃত তারা। আবার হতে পারে এটি ম্যাগনেটার বা খুব শক্তিশালী চৌম্বক শক্তিওয়ালা তারা।
এ বিশেষ ধরনের বামন জোড়াটি এক ঘনিষ্ঠ কক্ষপথে আবদ্ধ রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত এরা একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষ করবে, যার ফলে তৈরি হবে ‘টাইপ ১ এ’ সুপারনোভা।
একটি তারার বসবাসের উপযোগী হয়ে ওঠার জন্য সেখানে পানি থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। আর এসব গ্রহে তরল পানির জন্য যথেষ্ট উষ্ণতা রয়েছে।
সুপারনোভাটির এ অবশিষ্ট অক্ষত অবস্থায় ছিল ২০১৩ সাল পর্যন্ত এবং ২০২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে চিহ্নিত করা হয় ১১৮১ সালে দেখা সুপারনোভার উৎস হিসাবে।