০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চীনা ডিভাইসটি ব্যবহারের জন্য রোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং তাদের মেরুদণ্ডে নির্দিষ্ট ধরনের আঘাত থাকতে হবে।
বর্তমানে ইলন মাস্কের ব্রেইন ইন্টারফেইস চিপ কোম্পানি নিওরালিংক অন্যতম। এ প্রযুক্তিটি অধ্যাপক ডনোহিউ-এর প্রাথমিক গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই তৈরি।
এ যুগান্তকারী সাফল্যটি এসেছে ইলন মাস্কের স্টার্টআপ নিউরালিংকের প্রতিদ্বন্দ্বী ‘সায়েন্স কর্পোরেশন’-এর হাত ধরে।
যখন কেউ কথা বলার চেষ্টা করে, অর্থাৎ শব্দ তৈরির জন্য মুখের পেশিগুলো সক্রিয় করে তখন সেই সময়ের মস্তিষ্কের সংকেত বুঝে নিতে পারে চিপটি।
মেরুদণ্ডে আঘাতের কারণে পক্ষাঘাতে ভুগছেন তাদের এ ব্রেইন চিপ বসানোর জন্য পরীক্ষায় অংশ নিতে নাম নিবন্ধনের অনুরোধ জানিয়েছে নিউরালিংক।
এর মাধ্যমে চীন মানুষের ওপর ‘ইনভেসিভ ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেইস’ বা বিসিআই ডিভাইসের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা দ্বিতীয় দেশ হয়ে উঠেছে।
গত বছরের জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো এক ব্যক্তির দেহে বসানো হয় নিউরালিংকের ব্রেইন চিপ। পরের অগাস্টে আরো এক ব্যক্তির দেহে চিপ বসিয়েছে কোম্পানিটি।
নিউরালিংক বলেছে, তারা দ্বিতীয় এ সার্জারিতে রোগীর মস্তিষ্কের গভীরে চিপ স্থাপন করবে যাতে আরবাঘের ক্ষেত্রে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল সেটি এবার এড়ানো যায়।