০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এ ধরনের জালিয়াতিকে ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে সহজেই পার্সোনালাইজড ও বিশ্বাসযোগ্য বার্তা তৈরি করা যাচ্ছে। ফলে আক্রমণ অনেক নিখুঁত ও লক্ষ্যভিত্তিক হয়ে উঠেছে।
এ বছর ডিসকর্ড থেকেই শনাক্ত হওয়া ম্যালওয়ারের মাধ্যমে সাইবার হামলা চেষ্টার সংখ্যা এক কোটি ৮৫ লাখ ৫৬ হাজার পাঁচশ ৬৬টি, যা ২০২৪ সালের ১৪ গুণ।
শুধু জেনারেটিভ এআই নয়, নানা ধরনের ফিশিং আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে হলে কিছু সাবধানতা অবলম্বন জরুরী।
ইমেইলের ভেতরেই যদি অদৃশ্য কমান্ড ঢোকানো হয়, ব্যবহারকারী ইমেইলের সারাংশ চাইলে জেমিনাই ভুলভাবে ভুয়া সিকিউরিটি এলার্ট বা জরুরি বার্তা দেখাতে পারে।
পরিচিত প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারের কারণে বিষয়টি আরও বিভ্রান্তিকর মনে হয়। সরাসরি ক্ষতিকর সাইটে না পাঠিয়ে, প্রথমে গুগল ডক বা শেয়ারপয়েন্টের মত বৈধ সেবার লিংক দেওয়া হয়।
এইচটিএমএল ও সিএসএস ব্যবহার করে হ্যাকাররা জেমিনাইয়ের জন্য ফন্ট সাইজ শূন্য এবং রঙ সাদা করে একটি প্রম্পট ইমেইলের মধ্যে লুকিয়ে রাখতে পারে।
অনলাইন স্ক্যাম শনাক্ত করা শেখার মাধ্যমে, সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে শক্তিশালী করা সম্ভব।